Archive for the ‘LOST IN TRANSLATION’ Category

Sunil Gangopadhyay—the Nonbeliever Poet

Posted by Dev Baul - 09/09/22 at 01:09 pm

Sunil Gangopadhyay wore many hats—poet, novelist, short-story writer, historian, and essayist. While all the hats sat easily on him, he had an avowed preference for the poet’s hat. He said, “This birth is only for poetry……I long to live long only for poetry” in his ode to poetry, Only for Poetry.

Trying to bracket Sunil’s poetry into genres would be a hugely futile exercise but his writings in his later years betrayed his repulsion for and exasperation with bigotry, fundamentalism, and indoctrination.

Sunil finds rationality and science are getting drowned in a  sea of faddish beliefs and exhorts the nonbelievers to unite in the poem Sorbohara Abishwasi that roughly translates to Wretched Nonbelievers.It is a moot point whether he would have been able to write this today without hurting some sentiments or being branded anti-national.

Here is an English version of the poem’s last stanza, ineptly interpreted by me.

Wretched Nonbelievers

Sunil Gangopadhyay

 

Losing the battle as I age

Losing every day without a cease.

Don’t hurt the other man’s faith……

Don’t hurt the other man’s belief….

So many beliefs floating around

Numbers bloating each day.

So many types of beliefs…

 

The saffron-clad has ordained that

Street dogs shall lick the blood of the

Child of other faith, trickling on the road

It is his firm belief.

 

The faithful flag bearer believes that

the throats of girls should be slit

Who  dare to sing;

They should don burqas

When they play tennis;

This is also his firm belief.

They with bomb-strapped torsos

Moving toward annihilation;

They with toothy smiles and rippling

muscles wishing to trod on the world;

They are the squad of believers

 

All are believers, all are faith sentries

And I wish to say in my

Weak and broken voice

“Wake up   and unite

Ye wretched nonbelievers of the world

You got nothing to lose but your faith.”

 

 

Translated  by Dev Baul

Here is the poem recited by Manishikha Baul—Odissi Dancer, Performing Artist and Social Activist

 

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on linkedin
Share on email
Share on print

    If you enjoyed this article please consider staying updated via RSS. Links to your own social media pages could be added here.

    সেপারের রবীন্দ্রনাথ

    Posted by Dev Baul - 17/05/22 at 04:05 pm

    সেপারের রবীন্দ্রনাথ

    দেবপ্রতাপ বল

    এক মার্কিন ইউনিভার্সিটির বাংলা ভাষার প্রফেসর (জন্মগত গোরা সাহেব) ঢাকায় এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, “আপনারা সব সময় বলে থাকেন-এপার বাংলা, ওপার বাংলা। আচ্ছা, এই দুই বাংলার বাইরে যে বিপুলসংখ্যক বাংলাভাষী থাকেন তাদের আপনারা কোন বাংলার বলবেন? আমার প্রস্তাব – তাদের সেপার বাংলার লোক বলা হোক।”

    আমি সেই সেপার বাংলার লোক, তাই এই শিবের গীত গাওয়ার প্রয়োজন হলো। ঘটনাক্রমে আমাদের পরিবার তিন পুরুষ ধরে সেপার বাংলায় বা প্রবাসে বাস করছে আর বংশানুক্রমে পরিবারের পুরুষেরা কেরানিগিরি করে এসেছেন। আমার বড় হয়ে ওঠা এই মধ্যবিত্ত পরিবেশে আর মূল্যবোধ নিয়ে। সংসারের নিয়মেই রবীন্দ্রনাথের সাথে পরিচয় হল – গীতবিতান, সঞ্চয়িতা, আর গল্পগুচ্ছ পড়ে আর শুনে।

    এই রবীন্দ্রনাথের সাথে প্রথম পরিচয়ের গল্পটা নেহাতই সাদামাটা,আর পাঁচটা বঙ্গসন্তানের বেড়ে ওঠার গল্পের মত। তাঁর সাথে আমার দ্বিতীয় পরিচয় হয় পরিণত বয়সে আর সেটা হয় কিছু অবাংলাভাষীদের মাধ্যমে। এই গল্পটা কিছুটা আলাদা – কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনার বিবরণ।

    প্রথম

    আমার এক পরিচিত বিদেশি আমাকে একটা কবিরের লেখার ইংরেজি অনুবাদের  খোঁজ করতে বলেছিলেন। বইয়ের দোকানে প্রথম যে বইটা হাতে এল, সেটার অনুবাদকের নাম শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর! কিছুটা খোঁজখবর নিয়ে জানলাম যে কবিরের লেখা প্রথম ইংরেজি অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ। অনুবাদের গুণাগুণ বা যথাযথতার বিচার আমার ক্ষমতার বাইরে কিন্তু রবীন্দ্রনাথ যে দুটো পরভাষা নিয়ে কাজ করেছেন, সেটাই আমার কাছে চরম বিস্ময়কর।

    দ্বিতীয়

    প্লেনে পুনে-ব্যাঙ্গালোর যাত্রাপথে এক মারাঠি সহযাত্রীর কাছ থেকে রবীন্দ্রনাথের এক নতুন পরিচয় পেলাম। বাঙালি দেখে ভদ্রলোক নিজেই যেচে আলাপ করলেন – একথা সেকথা হতে হতে টেগোর এ এসে ঠেকল। তার পরের এক ঘন্টা ধরে আমি জানলাম যে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ভারতীয় ICS অফিসার বম্বে প্রেসিডেন্সি তে অনেকদিন কালেক্টার হিসেবে ছিলেন। সেই সময় রবীন্দ্রনাথ তাঁর দাদা সত্যেন্দ্রনাথের বাড়িতে বেশ কিছুদিন ছিলেন। সেখানে থাকাকালীন তিনি সন্ত তুকারাম রচিত অভঙ্গ (ভজন) শোনেন এবং ভালোবেসে ফেলেন। সেই ভালবাসা এতটাই গভীর হয় যে, তিনি তুকারাম এর লেখা বারোটি অভঙ্গ বাংলায় অনুবাদ করেন। আবারও অনুবাদ আর এবার মারাঠি ভাষা – আর ও একটি পরভাষা।

    তৃতীয়

    একবার এক নব্য রবীন্দ্রবিরোধী সর্বজ্ঞর সাথে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ার ভুল করে ফেলেছিলাম। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী “পুরানো সেই দিনের কথা” নাকি “Auld Lang Syne” থেকে চুরি করা(plagiarized)। কিছুক্ষন এক অর্থহীন বিস্বাদ বিতর্কে সময় কাটিয়ে গুগল নিয়ে বসলাম। জানলাম “Auld Lang Syne” এর আদলে বিশ্বের ষাটটি ভাষায় গানটি লেখা এবং গাওয়া হয়েছে। আমার মত গড়পড়তা বঙ্গসন্তান যার এই  স্কটিশ মেলোডিস এর সাথে পরিচয় নেই, এই সম্পদ থেকে বঞ্চিত থাকত, যদি রবীন্দ্রনাথ এই গানটি না লিখতেন।

    তারপর যত রবীন্দ্রনাথের সাথে পরিচয় বেড়েছে, তত বেশি করে তাঁর সৃষ্টিতে সেপারের প্রভাবটা চোখে পড়েছে। এই “সেপার” এর ব্যঞ্জনা  কিন্তু উপরোক্ত “সেপার বাংলা” র ব্যঞ্জনার থেকে কিছুটা ভিন্ন — এখানে “সেপার” হল বাংলার বহির্বিশ্ব। রবীন্দ্রনাথ বড় হয়েছেন এপার/ওপার বাংলায়, কিন্তু নিজের সৃষ্টিকে কোন বেড়াজালে বেঁধে রাখেননি—বরং সব আগল  খুলে দিয়ে নিজের সৃষ্টিতে সেপারের বাতাস, জল, ও  সুগন্ধ বইতে দিয়েছেন। বোধ করি তাই তিনি বাংলার কবি থেকে বিশ্বকবি হয়েছেন আর লিখে গেছেন,

                               আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া,

                              বুকের মাঝে বিশ্বলোকের পাবি সাড়া॥ 

    5/5
    Share on facebook
    Share on whatsapp
    Share on email
    Share on twitter
    Share on email

    If you enjoyed this article please consider staying updated via RSS. Links to your own social media pages could be added here.

    In Search of a Spine

    Posted by Dev Baul - 25/06/21 at 12:06 am

    In Search of a Spine 

    All obituaries and tributes for poet Shankha Ghosh who succumbed to post-corona complications last April,  have been full of hyperboles like “conscience of Bengal”, “prophet of humanity”, and so on. It is enormously ironic that the legacy of a poet known for his subtleties, sarcastic innuendoes and understatement,  has to be celebrated with such overstatements and embellishments. 

    Such exaggerations paint an off-putting halo around the poet and take him away from the readers, especially those who have not read Shankha Ghosh in Bengali. Shankha Ghosh’s mastery over his craft, his relentless inquisition against the establishment—all get lost in this din.

    Here I present an English and a Hindi  version of his poem “The Crawl.”  This epigrammatic poem, to my mind, is most representative of his writing.

    These are not authorized literal translations but rather personal interpretations of the poet’s verse. Hindi version is by  Mrs. Sipra Choudhury, an ex-professor of Bengali at the University of Delhi.

    Hopefully, this will incite some readers to read more of Shankha Ghosh’s poetry in Bengali or more authentic translations. 

     

    The Crawl

    Shankha Ghosh

     

    (I) Wake up suddenly.

    A storm brewing outside?

    The window panes are pounding,

    Lightning strikes fleetingly.

    As I go to bed again, in the flash of that lightning,

    it seems someone is crawling in the room.

     

    -‘Who’s there? Who? ‘

    The crawler makes no sound.

    Coming near him, I ask again:

    -‘Who are you? What do you want?’

     

     

    Silently he keeps moving from corner to corner

    Keeping the head low, avoiding eye contact.

     

    – ‘Are you looking for something?’

    I can hear:

     

     

    – Sure ‘I’m looking for it, I must find it –

    On finding it, will walk away on my own

     

    -‘What are you looking for? ‘

    He says in a soft voice:

    – ‘My Spine’

     

    At that moment the lightning flashes again.

    I look up in shock:

    He is not alone – many, many
    crawlers are searching for the same
    across all corners of the room…

     

    (Translated from Bangla…………………………………. Dev Baul)

     

     

    Recited by Manishikha Baul – Odissi Dancer, Performing Artist and Social Activist

    रेंगना – 

    शंख घोष

     

    अचानक नींद टूट गई।

    बाहर क्या आँधि आ रही है?

    खिड़की में ज़ोर ज़ोर से आवाज़ हो रही है।

    बीच बीच में बिजली चमक रही है।

    फ़िर लेटते वक्त बिजली की छटपटाते हुई रोशनी में

    ऐसा लग  जैसे कमरे में कोई घुटने के बल रेंग रहा है

     

    “कौन है वहां पर? कौन?”

    कोई आवाज़ नही आती

    उठके आता हूँ, फ़िर से पूंछता हूँ,

    “आप कौन है क्या चाहते है?”

     

    वह फ़िर भी जवाब नही देता है।

    यह कोणा वह कोणा घूमता रहता है।

     

    “आप क्या कुछ ढूंढ रहे हैं”

    सुनाइ दिया,

     

    ” ढूंढ तो रहा हूँ, ढूंढना तो पड़ेगा ही।

    मिलने पर निकल जाऊंगा, खुद अपने पैरों से चलकर।”

     

    “क्या ढूंढ रहे हैं”

    धीमी आवाज़ में वो बोले,

    “मेरा मेरुदण्ड”

     

    तभी फ़िर से बिजली चमकी,

    चौंक कर देखा,

    अकेला वह ही नहीं, बहुत सारे लोग

    उसी खोज में कमरे का कोणा-कोणा रेंग रहे है।

     

    (बांगला कविता अनुवाद करने की अक्षम कोशिश……..शिप्रा चौधरी)

    Recited by Sipra Choudhury

     

    হামাগুড়ি

    শঙ্খ ঘোষ

    ঘুমটা ভেঙ্গে গেল হঠাৎ।

    বাইরে কি ঝড় হচ্ছে?

    দাপাদাপি করছে জানলার

    পাল্লাদুটো,

    মাঝে মাঝে বিজলি ঝলকাচ্ছে।

    ফের শুয়ে পড়তে গিয়ে সেই

    বিদ্যুতের ছটফটে আলোয় মনে

    হল ঘরের মধ্যে যেন হামা

    দিচ্ছে কেউ।

     

    -‘কে ওখানে? কে?’

     

    হামা কোনো শব্দই করে না।

    উঠে আসি কাছে, আবারও

    জিজ্ঞেস করিঃ

     

    -‘কে আপনি? কী চান?’

     

    সে তবু নিশ্চুপ থেকে এ –

    কোণে ও -কোণে ঘুরছে

    মাথা তুলছে না কিছুতেই, চোখে

    চোখ নয়।

     

    -‘কিছু কি খুঁজছেন আপনি?’

     

    শুনতে পাচ্ছিঃ

     

    -‘খুঁজছি ঠিকই, খুঁজতে তো হবেই –

    পেলেই বেরিয়ে যাব, নিজে নিজে

    হেঁটে।’

    -‘কি খুঁজছেন?’

     

    মিহি স্বরে বললেন তিনি :

    -‘মেরুদণ্ডখানা।’

     

    সেই মুহুর্তে বিদ্যুৎ ঝলকালো

    ফের। চমকে উঠে দেখিঃ

    একা নয়, বহু বহু জন

    একই খোঁজে হামা দিচ্ছে এ-

    কোণে ও কোণে ঘর জুড়ে।

     

    Recited by Subhasri Roy – a Voice & Recitation Artist

     

    Share on facebook
    Facebook
    Share on twitter
    Twitter
    Share on linkedin
    LinkedIn
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on email
    Email
    Share on print
    Print

    If you enjoyed this article please consider staying updated via RSS. Links to your own social media pages could be added here.

    A tale of two poet laureates

    Posted by Dev Baul - 26/05/21 at 04:05 pm


    A tale of two poet-laureates separated by centuries, continents, and languages

    Bob Dylan was born in the USA in 1941, the same year in which Tagore died at the age of eighty. Their personas could not have been more different. There is no evidence to suggest that Dylan was familiar with Tagore or his works, although Dylan started as a folk artist and collaborated extensively with Purnadas—a pioneering Bengali folk artist. As is well known to Tagore buffs, he was very fond of folk music, and many of his songs had a folk origin.

     

    I bring up this fantastic argument as a prologue to what I propose next that is even more outrageous. I submit parts of two songs to back my defense—Dylan’s Like a Rolling Stone and Tagore’s We ain’t got nothing, we sing from within and without. A lot has been lost in translation in my inept English interpretation of Tagore’s original.

     

    Similar ethos predicates both the songs that celebrate the bliss of owning nothing. Both poet-laureates argue,” What can you lose when you got nothing?”

     

    You may not be impressed with my construct, but do take a dekko and a listen.

     

     

     

     

     

    Play Video
    Play Video
    Share on facebook
    Facebook
    Share on twitter
    Twitter
    Share on linkedin
    LinkedIn
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on email
    Email
    Share on print
    Print

    If you enjoyed this article please consider staying updated via RSS. Links to your own social media pages could be added here.

    Kompoo – a Professor Shonku story by Satyajit Ray

    Posted by Dev Baul - 12/05/21 at 04:05 pm

    For the uninitiated, Professor Shonku is a fictional scientist created by Satyajit Ray (1921–1992) in a series of Bengali science fiction books published from 1965 onward. Kompoo a story written in the early 70s is about a computer created by Shonku. When I read it again recently it read like a product catalog of an OK Google’ or an ‘Amazon Alexa’ device – a very accurate prophecy made 40 years ago !!

    Giving below an inept translation done by me of an extract from the story …..

    Kompoo

    When two Japanese assistants entered the stage with Kompoo, the auditorium reverberated with an appreciative buzz from the audience, as they saw the beautiful platinum-clad orb.

    That a machine capable of answering 500 million questions would be 1.5 times the size of a football; that it would weigh only forty two kg; that it would not look like a machine – was beyond anybody’s imagination.

    In this age of transistors and micro-miniaturization, even the most complex machine need not be big in size. Fifty years ago could anyone have thought that in future all the components of a radio could be fitted into a wristwatch!

    At this point, it would be appropriate to note that our computer does not solve complicated mathematical problems. Its job is to answer those questions, answers to which are found in encyclopedias. Kompoo’s other special ability is that it answers verbally in a shrill humanoid voice. Before asking a question one would need to speak out the code ‘1313137’ to get Kompoo started <does this remind you of ’ok google’ or the ‘Alexa wake word’ >. After this one would get an instant answer to the asked question. The questions should be such that can be answered in brief and precise terms. Despite the forewarning, a journalist from the Philippines ended up asking Kompoo to comment on ancient Chinese civilization. Obviously, Kompoo kept silent, but when the same journalist asked specific questions regarding ancient Chinese dynasties like Tang, Ming, Han, Song – Kompoo reeled off the answers in a flash.

    Apart from information dissemination, Kompoo also has a fine logical reasoning ability. A conversation between Nigerian naturalist Dr Solomon and Kompoo aptly demonstrates this trait.

    Dr. Solomon – ‘Where would a baby baboon be safe

         a) In front of a hungry deer or

         b) In front of a hungry chimpanzee’  

    Kompoo – ‘hungry deer’
      Dr. Solomon – ‘why?’
      Kompoo –‘chimpanzees are occasional meat-eaters.’

    Now, this is a recently acquired knowledge – till a few years ago it was believed that all primates were vegetarians. < Surely this interaction would pass the strictest Turing test !> [1]

    ———————————————————————————————————–

    [1]The Turing test, developed by Alan Turing in 1950, is a test of a machine’s ability to exhibit intelligent behavior equivalent to, or indistinguishable from, that of a human.

    If you enjoyed this article please consider staying updated via RSS. Links to your own social media pages could be added here.